১৬ অক্টোবর ২০১২ “খাদ্য নিরাপত্তার জন্য চাই সমবায় কৃষি” প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হচ্ছে ৩২তম বিশ্ব খাদ্য দিবস। ১৯৭৯ সালে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) ২০তম সাধারণ সভায় হাঙ্গেরির তৎকালীন খাদ্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. প্যাল রোমানি বিশ্বব্যাপী এই দিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ১৯৮১ সাল থেকে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা প্রতিষ্ঠার দিনটিতে (১৬ অক্টোবর ১৯৪৫) দারিদ্র ও ক্ষুধা নিবৃত্তির নিমিত্তে বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে এই দিনটি গুরুত্বের সাথে পালিত হয়ে আসছে। গত ৩২ বছরেও ঋঅঙ’র সেই লক্ষ্য অপূরণীয়ই রয়ে গেছে। কারণ, ১৯৯০-১৯৯২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ৮২ কোটি ৪০ লক্ষ এবং ১৯৯৬ সালে বিশ্ব খাদ্য সম্মেলনে বিশ্বের মোট ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে FAO কাজ করলেও তার ফলাফল হয়েছে উল্টোটা। ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ২০১০ সালে এসে বেড়ে হয়েছে ৯২ কোটি ৫০ লক্ষ যার মধ্যে এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেই রয়েছে ৫৭ কোটি ৮০ লক্ষ ক্ষুধার্ত মানুষের বসবাস। এই প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ১৫% দারিদ্র্য হ্রাস করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। অথচ গবেষণায় দেখা গেছে বর্তমান বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ৪০% এবং ২৫% মানুষ চরম দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করছে যাদের দৈনিক আয় ১ ডলারের কম। দারিদ্র্য হ্রাসের কথাটি খুব জোরেসোরে বলা হলেও আসল সত্যি হলো, দিন দিন দারিদ্র্যে হার বাড়ছে বৈ কমছে না। অন্য একটি গবেষণার তথ্য বিষয়টিকে আরো পরিষ্কার করবে- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশে দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারীর সংখ্যা ছিল ৩৫.৬%, ২০০২ সালে ৩৬%, ২০০৪ সালে ৪৫%। ২০০৮ সালে পূর্বের অবস্থা থেকে বেশ উন্নতি হয়ে ৩৬.৩% নেমে আসে কিন্তু ২০১০ সালে তা আবার বেড়ে গিয়ে ৪০% এ উন্নীত হয়। শুধু তাই নয় বৈশ্বিক সূচকে ১৫৩টি দেশের মধ্যে দারিদ্র্যের দিক দিয়ে বাংলাদেশ ৪২তম অবস্থানে রয়েছে এবং বাংলাদেশকে এশিয়ার সবচেয়ে দরিদ্র রাষ্ট্র বললেও ভুল হবে না। এ সূচক অনুসারে ৮০% দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যা নিয়ে যথাক্রমে ১ম, ২য় ও ৩য় অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকার দেশ চাঁদ, হাইতি ও লাইবেরিয়া। এখানে আরেকটা তথ্য উল্লেখ করা দরকার তা হলো- বৈশ্বিক সূচকে ২৫% দারিদ্র হার নিয়ে ভারত ৮৬তম, ২৪.৭% নিয়ে নেপাল ৮৮তম, ২৪% নিয়ে পাকিস্থান ৯০তম, ২৩.২% নিয়ে ভুটান ৯২তম, ২৩% নিয়ে শ্রীলংঙ্কা ৯৩তম, ১৫.৭% নিয়ে জাপান ১১৫তম, ৯.৬% নিয়ে থাইল্যান্ড ১৩৭তম, ৩.৬% নিয়ে মালয়েশিয়া ১৫১তম, ২.৮% নিয়ে চীন ১৫২তম এবং সর্বনি¤œসংখ্যক বা ১.১৬% নিয়ে তাইওয়ান ১৫৩তম অবস্থানে রয়েছে। উল্লিখিত তথ্যগুলো থেকে বুঝা যায় যে সে দেশগুলোর সরকারগুলো কথার চেয়ে কাজকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে দারিদ্র্য হ্রাসের উপরে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে। এছাড়া সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রা (এমডিজি)’র ৮টি লক্ষ্যের মধ্যে ১ম লক্ষ্য ক্ষুধা দারিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে প্রতি বছর ১% হারে দারিদ্র্য কমলেও এখনো ২৫% জনসমষ্টি হতদরিদ্র এবং ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের নির্ধারিত ৫০% দারিদ্র্য হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কোনভাবেই সম্ভব নয়। কোন কোন ক্ষেত্রে দারিদ্র্য সামান্য কমলেও বাড়ছে শ্রেণী ও অঞ্চল বৈষম্য। বাংলাদেশে সর্বোচ্চ আয়কারী গোষ্ঠীর সাথে সর্বনিম্ন আয়কারী গোষ্ঠীর ব্যবধান বেড়ে ০.২৫ থেকে বর্তমানে ০.৪৫ হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের ৫% জনগোষ্ঠী ৩৭.৬৪% সম্পদের মালিক আর সংখ্যাগরিষ্ঠ দরিদ্র জনগোষ্ঠী মাত্র ৯.৩৬% সম্পদের মালিক।

একই সাথে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যায় বেঁচে থাকার সংগ্রামের তীব্রতাও বাড়ছে দিন দিন। একটি দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে ‘খাদ্য’ অন্যতম। কিন্তু বিদ্যমান জলবায়ু সঙ্কট এই চাহিদার যোগানের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। ফলে বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সঙ্কটের পাশাপাশি খাদ্য সঙ্কট আরো ঘনীভূত হচ্ছে আর বাড়ছে দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা। গত কয়েক দশকে জলবায়ুর প্রকৃতি পরিবর্তন সঙ্কটে টিকে থাকার প্রয়াসে চাষযোগ্য জমি সংরক্ষণ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃত্রিম বনায়ন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি কর্মকা-ের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ, বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নানামূখী কর্মসূচির বাস্তবায়ন করে চলেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাসসহ আরো কয়েকটি বিষয়ের পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ একটি অন্যতম লক্ষ্য। তাই বলা হচ্ছে, একুশ শতকের জলবায়ু সঙ্কটের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার পাশাপাশি খাদ্য সঙ্কটের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা বিশ্বের কোটি কোটি ক্ষুধার্ত ও দরিদ্র মানুষের জন্য এখন সবচাইতে গুরুত্বর্পর্ণ বিষয়। পৃথিবীর ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার চরমভাবাপন্নতায় বাংলাদেশে সিডর, আইলার মতো ঘূর্ণিঝড়ের বাইরেও প্রলম্বিত বন্যা, খরাসহ আবহাওয়ার পরিবর্তনজনিত কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার নজির এখন প্রতিবছরের। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তরাষ্ট্রীয় প্যানেল (IPCC) সহ বিভিন্ন গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, আগামী একশ’ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলসহ ১৭% এলাকা তলিয়ে যাবে এর ফলে প্রায় ৩ কোটি লোক জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুততে পরিণত হবে। বর্তমানে যেখানে ঢাকা শহরে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে সাড়ে ২৮ হাজার লোক বাস করে তা হয়ে যেতে পারে দ্বিগুণ, খাদ্যশস্য বিশেষ করে ধান ও গমের উৎপাদন কমে যেতে পারে ২৫-৩৫%, সাইক্লোন ও বন্যার তীব্রতা বাড়ছে যা উন্নয়ন বরাদ্ধের বড় একটা অংশ খেয়ে ফেলবে। শুধুমাত্র সিডর ও আইলায় আমাদের ক্ষতির পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে যা আমাদের ২ বছরের উন্নয়ন বরাদ্দের চেয়েও বেশি। এই পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমবায় কৃষি আন্দোলন অত্যন্ত জরুরী। দারিদ্র্য দূরীকরণে একদিন কৃষিকে ঘিরে দেশে এ আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। আবারো কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষি পণ্যের বিপণনে এ আন্দোলন জোরদার করতে হবে। কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, কৃষকরা ফসল ফলালেও এর সম্ভাব্য ব্যয় এবং সম্ভাব্য মূল্য সম্পর্কে তারা কিছুই জানতে পারে না। যে কারণে কৃষকরা অনেক সময় বেশি উৎপাদনে আগ্রহী হয় না। আবার আগ্রহী হয়ে বেশি উৎপাদন করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পণ্যের সঠিক দাম পায় না। বরং লাভবান হয় মধ্যস্বত্বভোগীরা। এ থেকে কৃষকদের রক্ষায় উৎপাদন ও বিপণনে সমবায় ব্যবস্থা চালু করা দরকার। তবে সেই সমবায় হতে হবে নিয়মমাফিক ও সংখ্যাগরিষ্ঠের উন্নয়নে জন্য। সরকারের চলমান প্রক্রিয়ায় সহজ শর্তের ঋণ মৎস্যজীবীদের কোনো কাজে আসে নি। দেশে জলমহালগুলো ইজারা দেয়ার ব্যাপারে যে নীতিমালা রয়েছে, তার ফাঁক দিয়ে প্রভাবশালীরা ইজারা নেবার সুযোগ পাচ্ছে। তবে অব্যবহৃত ভূমি ও অনুপস্থিত মালিকদের জমি সমবায়ের ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যবস্থা করার ক্ষেত্রে ভূমি মালিক ও ভাগচাষি উভয়েই সমানভাবে লাভবান হতে পারে। এর ফলে ফলে উৎপাদন বাড়বে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এছাড়া কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি বিপণন অধিদফতরের আধুনিকায়ন এবং কার্যকারিতা বাড়লে কৃষকরাই উপকৃত হবে। উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

পাশাপাশি কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি কৃষিক্ষেত্রে নারীর অবদানকে মূল্যায়ন করতে হবে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে- এশিয়া মহাদেশের চাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে শতকরা ৫০ থেকে ৯০ ভাগ শ্রম নারীরা দিয়ে থাকেন। বাংলাদেশর মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪৯ ভাগ নারী যার শতকরা ৮৬ ভাগ বাস করেন গ্রামে। গ্রামীণ নারীরা দিনের মোট সময়ের ৫৩% সময় ব্যয় করে কৃষি ও ক্ষুদ্র শিল্প ক্ষেত্রে অর্থাৎ পারিবারিক আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে। আর সেখানে পুরুষেরা ব্যয় করেন মাত্র ৪৭% সময়। বসতবাড়ির সবজি/ফল উৎপাদন ও পশুসম্পদ যেমন- হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল প্রভৃতি উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনায় নারীর অংশগ্রহণ শতকরা ৪৫ থেকে ৮৫ ভাগ। পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণে নারীদের ভূমিকাই প্রধান এবং সবজি বাগান ও পশুসম্পদ থেকে আয়ের ক্ষেত্রে ২০-৪০ ভাগ অবদান রাখছে নারীরা। মাছ চাষে জেলে পরিবারের নারীরা মাছ ধরার পর মাছ বাছাই/কাটা, বাছা, শুকানো ও বাজারজাতকরণের উপযোগী করার দায়িত্ব পালন করে এবং শুঁটকি তৈরিতে অবদান রাখছে। বর্তমানে মিঠা পানির মাছ চাষের ক্ষেত্রে নারীরা বাণিজ্যিকভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া নারীরা বর্তমানে জৈব সার বা কম্পোস্ট ব্যবহারের মাধ্যমে জমির স্বাস্থ্য রক্ষা করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ অবদান রাখছে। দেশের খাদ্যসঙ্কট মোকাবেলায় মোট নারী শ্রমশক্তির ৭১.৫ শতাংশ নারী কৃষি কাজে নিয়োজিত থাকলেও আর্থ-সামাজিক অবস্থায় পুরুষের তুলনায় নারী দারিদ্র্যসীমার প্রায় ৪৩ শতাংশ নিচে বাস করে। এর পেছনে রয়েছে নারীদের অশিক্ষা, অপুষ্টি, বৈষম্যমূলক মজুরি, অদক্ষতা ও মৃত্যুর উচ্চহার, প্রযুক্তির অভাব, প্রাতিষ্ঠানিক বৃত্তিমূলক ও ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণের অভাব ইত্যাদি এসব প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে তাদের, শ্রম-শক্তি কাজে লাগাতে নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই সাথে জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে গ্রামীণ নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমনের জন্য অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে গ্রামীণ নারীর জন্য বিশেষ কোটা চালু করতে হবে।

উদ্ভুত পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে উল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও সুনির্দিষ্ট সরকারকে কিছু বাস্তবতায় মনোযোগী হতে হবে এখনই তারমধ্যে- কৃষি সেক্টর উন্নয়নে বিশেষভাবে নজর দিয়ে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং কৃষি বিষয়ে কৃষকদেরকে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে; এক ফসলি জমিকে দুই-তিন ফসলি জমিতে পরিণত করে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে; দেশীয় উদ্যোগে খরা ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাতের ধানের প্রসার ঘটিয়ে খরাপ্রবণ এবং উপকূলীয় এলাকায় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে; কৃষি ভূর্তকি বৃদ্ধি করে কৃষকদেরকে সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে; কৃষকদের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করার জন্য উৎপাদিত পণ্যের সর্বনি¤œ বাজারমূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে; সরকারি উদ্যোগে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্যভা-ার গড়ে তুলতে হবে; কৃষি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ যেমন- সার, কীটনাশক, তৈল, উন্নত বীজ ও কৃষি যন্ত্রাংশ সহজলভ্য করতে হবে না হলে অচিরেই বিশ্ব খাদ্য দিবস পরিণত হবে খাদ্যহীন দিবসে যেখানে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দূর্দশার শেষ থাকবে না।
——————————————————————————————————————-
এম এম মাহবুব হাসান
এ্যাডভোকেসী এন্ড ক্যাম্পেইন ম্যানেজার, কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (সিডিপি), ঢাকা
ই-মেইলঃ cdpmahbub@yahoo.com