সহযোগিতায় ঃ গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সি এস আর এল) ও অক্সফাম
স্থান ঃ এসপিএস হল রুম ,পাবনা
তারিখ ঃ ২৯-১২-২০১১ ইং
আখ চাষীদের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও ভবিষ্যৎ
করনীয় বিষয়ক কর্মশালা

অংশগ্রহণকারীর ধরন ঃ
পাবনা জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা আখ চাষী , কৃষিবিদ, কৃষি তথ্য সার্ভিস আঞ্চলিক অফিসার , সরকারী কৃষি কর্মকর্তা , উপজেলা কৃষি অফিসার , এনজিও প্রতিনিধি সাংবাদিকসহ আরও অনেকে।

কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ঃ
 আখ চাষীদের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও ভবিষ্যৎ করনীয় ।
 প্রতি বিঘাতে আখ চাষ করতে কত খরচ হয়।
 ঋন পায় কত % সুদে এবং কৃষকেরা দেয় কত দিন পর ।
 ঋন পদ্ধতিতে সুবিধা কেমন ।

কর্মপরিকল্পনা:
ক্রমিক নং বিষয় কে করবেন
১ রেজিষ্ট্রশন ও আসনগ্রহণ পলাশ
২ শুভেচ্ছা বক্তব্য ও সঞ্চালকের দায়িত্বগ্রহণ নরেশ মধু, নির্বাহী পরিচালক, এসপিএস
৩ আখচাষীদের অবস্থা বিশ্লেষণ অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি
৪ আয় ব্যয়ের হিসাব অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি
৫ সমস্যা চিহ্নিতকরণ অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি
৬ সুপারিশ সমূহ অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি

কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সৎসঙ্গ পল্লীকল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক নরেশ মধু এবং তিনি সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন। তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন আজকের কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হল আখ চাষীদেও আখ চাষে সমস্যা ও সমস্যা সমাধানে কি কি করনীয় সে বিষয়ে আলোচনা করা এবং যাতে আখচাষীরা চাষি হিসেবে তার ন্যায্য মর্যাদা পায় সেবিষয়ে আলোচনা করা।
কৃষকদের বক্তব্য ঃ

বেলাল হোসেন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তার বক্তব্য শুরু করেন , তিনি বলেন সত্যিকার অর্থে যদি পরিশ্রমের সঠিক পারিশ্রমিক না পাওয়া যায় তাহলে কেউ কাজ করতে চাইবে না, আঁখ বিক্রির ক্ষেত্রে যদি যথেষ্ঠ সুযোগ সুবিধা না থাকে তাহলে কেউ আঁখ চাষ করতে উৎসাহিত হবে না। তিনি বলেন বাংলাদেশে যে চিনির ঘাটতি এবং দাম তার কারণ কি কারণ একটাই যথেষ্ঠ পরিমাণ আঁখের উৎপাদন নেই। তাই তাদের অসুবিধা দুর করে আঁখ